আজ

  • বৃহস্পতিবার
  • ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘ঘুনে ধরা সমাজ-আর নানা ক্ষত’

  • মোহাম্মদ আশরাফুল হক
  • পজিটিভ (ভালো/সৎ/সাহসী/মানবিক ইত্যাদি) হওয়ার ইনসেন্টিভ যে শুধু কমেছে তা না, এসব পজিটিভ মানুষদের প্রতি চারপাশের মানুষের আগ্রহও কমেছে বেশ। কারণ এদেরকে দিয়ে “কাজ” হয় না। মানুষের মূল আগ্রহ এখন ক্ষমতায়; সেটা পজিটিভ হয়ে হলে ভালো, না হলেও ক্ষতি নাই।

    লক্ষ্য করুন, পাওয়ারফুলদের পিছনে শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-দরিদ্র‍, বিখ্যাত-অখ্যাত, বুদ্ধিমান-বেকুবদের লম্বা লাইন। ক্ষমতাকে তুষ্ট রাখা একটা সাধনার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ‘সৎ অথবা অসৎ’ ক্ষমতার এই তুমুল জনপ্রিয়তায় পজিটিভ মানুষদের প্রতি আগ্রহ মানুষের কমেছে। সেই অর্থে একটা পুরো জনগোষ্ঠীই অসততায় জড়িয়ে গেছে।

    আমাদের সারভাইভাল ইকোলজিতে ক্ষমতার এই বিপুল প্রভাবের কারণে বৈষম্য ও মারামারি বৃদ্ধি পাচ্ছে। একবার আমি এক সরকারি কর্মকর্তা কে জিজ্ঞেস করলাম ঘুষ ছাড়া কি কাজ হয় না তখন তিনি আমাকে উত্তরে বললেন, ” আমি তো আমার চারপাশে সৎ হওয়ার বা থাকার কোন কারণ খুঁজে পাই না!”

    অসততার নানা রকমফের থাকলেও আমাদের সমাজে গ্রস অসততা হরহামেশাই লক্ষ্মনীয়। এসব অসততার মূল কারণ হচ্ছে ক্ষমতার অসম প্রভাব বা বন্টণ। মিনেসোটার সংসদ সদস্যদের কথা বলেছিলাম যারা পেট চালানোর জন্য দ্বিতীয় চাকরি করতেন। এই যে ‘পজিশন অফ পাওয়ার’ এ থাকাদের সাথে না থাকাদের দৌঁড়টা সমান করার চেষ্টা সেটা সমাজে সৎ থাকার ইনসেনটিভ তৈরী করে।

    এই ‘কালচার’ ভাঙতে হবে বলার মতো দায়সারা কোন বক্তব্য আমি দিতে চাই না। খুব স্পেসিফিকালি দেখিয়ে দিতে চাই ঠিক কিভাবে ক্ষমতার পূজা বন্ধ করা যাবে, পজিটিভদের জন্য সমাজে ইনসেন্টিভ বাড়ানো যাবে! কোথায় দেখাবো?

    দেখা যাক…
    তারপর কাজের কথা বলি আমরা অনেকবার চেষ্টা করেছি আমাদের গ্রামের উন্নয়ন মূলক কাজে নিজের অর্থ ও অংশগ্রহণে মাধ্যমে অন্যদেরকে উদ্বুদ্ধ করে কাজ করার। অনেক ভালো কাজেও আমরা অনেক সময় বাধাগ্রস্ত হয়েছি। কিন্তু তখনও হাল ছাড়েনি তবে কিছুদিন আগে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন সমাজের কিছু লোক তথাকথিত মাতাব্বর আমাদেরকে বিভিন্ন অপকর্মের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছে তখন থেকে গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজ করার ইচ্ছেটা মরে গেছে কিন্তু এখন রিয়েলাইজ করতেছি যে যাই বলুক আমাদের কাছে আমাদেরকে করতে হবে উনারা একদিন ঠিকই চলে যাবে কিন্তু আমাদের সমাজে আমরা বাস করতে হবে।

    এখন হয়তো আমাদের বয়স ২৫ আগামী ১০ বছর পরে হবে ৩৫, হয়তো আমরা এই সমাজের হাল ধরতে হবে সেহেতু আমরা এখন থেকে সমাজটাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করার চেষ্টা করব তাই আমাদের উদ্যোগ থাকবে সকাল যুবক ভাইয়েরা একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তথাকথিত মাতব্বরদের কে বাদ দিয়ে নতুন প্রজন্মদের নিয়ে রাস্তা এবং গ্রামের যত অসংগতি আছে এবং বিচার ব্যবস্থা এগুলো ঠিক করা এখন থেকে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব কারণ পরবর্তীতে আমরা যারা আছি নতুন প্রজন্ম তারাই সমাজের হাল ধরতে হবে সেই লক্ষ্যে সকল যুব সমাজকে নিজেদেরকে সার্বিকভাবে নিজেকে গঠন করতে হবে।

    পরিশেষে এটাই বলতে চাই ইনশাআল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি আমাদের জনদুর্ভোগের সমাপ্তি ঘটাতে রাস্তা মেরামত কিংবা নতুন করে করার তদবির ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের উদ্যোগে চালিয়ে যাব সফলতার জন্য দোয়া চাই সকলের কাছে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

    লেখক : সমাজকর্মী


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090