আজ

  • বুধবার
  • ১৬ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সোনাগাজীতে ১৯ প্রতিষ্ঠানকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

  • সোনাগাজী প্রতিনিধি
  • সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম মো. মনিরুজ্জামান। উপজেলার মতিগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ড, মতিগঞ্জ বাজার, মনগাজী বাজার, ওলামাবাজার ও সোনাপুর বাজার, বক্তারমুন্সির হাট, কুদ্দুছ মিয়ার হাট, আমিন উদ্দিন মুন্সির হাট, জমাদার বাজার, কারামতিয়া বাজার, কুঠিরহাট, কাজীর হাট ও তাকিয়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের আতঙ্ককে পুঁজি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য ও খাদ্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি এবং পণ্যে মূল্য তালিকা না থাকায় ১৯ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

    শনিবার সকাল থেকে রবিবার পর্যন্ত ইউএনও অজিত দেব বলেন, উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় দ্রব্যমূল্যের মান নিয়ন্ত্রণে ভেজাল বিরোধী অভিযান চালানো হয়। এসময় অভিযানে তিনি বিভিন্ন বাজারের ১২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার এবং নির্বাহী হাকিম মো. মনিরুজ্জামান ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকাসহ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    তিনি বলেন, উপজেলার সব কয়টি বাজারে দ্রব্য মূল্যে মান নিয়ন্ত্রণে মাইকিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নের বাজারগুলোতে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা দোকানে দোকানে গিয়ে দ্রব্য মূল্যে দাম তদারকি করছেন। অভিযানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সহায়তা করেন।

    সোনাগাজীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক–নার্সদের টাকায় সেলাই করে ২০টি গাউন, মার্স্কসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম বানানো হচ্ছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা উৎপল দাশ বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা মেনে উপজেলায় র‌্যাপিড রেসপন্স দল, ব্যবস্থাপনা কমিটিসহন বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে মোট ১০৪টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের কোন প্রকার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় হাসাপাতালের ১৫জন নার্স ও পাঁচজন চিকিৎসকের জন্য তাঁদের টাকায় ২০টি গাউন, মাথার ক্যাপ, চশমা, জুতা ও মাস্কসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সেলাই করে বানানো হচ্চে। কিছু কিছু জিনিস বাজার থেকে কেনা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, উপজেলায় বিদেশ ফেরত ৪১জন ব্যক্তিকে কোয়ারিন্টাইনে রাখা হয়েছে। হঠাৎ কোন ব্যক্তির মধ্যে করোনার লক্ষ্যণ দেখা দিলে দ্রুত তাঁর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়া সরকারী ভাবে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকদের জন্য নিরাপত্তায় কিছু সরঞ্জাম পাওয়া গেছে।

    ফেনী ট্রিবিউন/এএএম/এপি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090