আজ

  • সোমবার
  • ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লাখো মুসল্লির চোখের জলে আল্লামা শফীর দাফন

  • নিজস্ব প্রতিনিধি
  • লাখো মুসল্লি চোখের জলে শেষ বিদায় জানিয়েছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে। শনিবার বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হেফাজতে ইসলামের এ আমিরের জানাজা সম্পন্ন হয়। এ সময় তার অনুসারীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    মাদরাসার উত্তর-দক্ষিণ পাশের সড়কে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লি অংশ নেন। জানাজা শেষে তাকে মাদসার ভেতর উত্তর মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    জানাজায় ইমামতি করেন আহমদ শফীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ। জানাজার আগে তিনি উপস্থিত লোকজনসহ দেশবাসীর কাছে তার বাবার জন্য দোয়া চান।

    জানাজায় অংশ নেন স্থানীয় এমপি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান, এসপি এস এম রশীদুল হকসহ হেফাজতে ইসলামের নেতারা।

    জানাজার আগে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব ও মাদরাসার শিক্ষক জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, হুজুর আমাদের ছেড়ে গেলেন। তবে হেফাজতের আন্দোলন আগের মতো অব্যাহত থাকবে।

    এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শাহ আহমদ শফীর মরদেহ বহন করা গাড়িটি হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় আসে। ঢাকা থেকে গাড়িটি ভোরে রওনা হয়। আগেই মাদরাসার ভেতর উত্তর মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে কবর খোঁড়া শেষ করা হয়।

    সকাল থেকেই জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় আসতে শুরু করেন। লোকজনের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায় মাদরাসার মাঠ। সকাল ১০টা থেকে হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখান থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে শুক্রবার সন্ধ্যার আগে ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    ফেনী ট্রিবিউন/আরএম/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090