আজ

  • মঙ্গলবার
  • ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফেনীর বারাহিপুরে যুবকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

  • শহর প্রতিনিধি
  • একটি পরিবারের কাছে জিম্মি হয়ে আছে ফেনী পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বারাহিপুর এলাকার বাসিন্দারা। তাদের সন্ত্রাসী আর অসামাজিক নানা কার্যকলাপে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এসব ঘটনায় একের পর এক মামলা হলেও সন্ত্রাসীরা ড্যামকেয়ার।

    স্থানীয়দের ভাষ্য এবং ফেনী মডেল থানায় দায়েরকৃত একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, পরিবারের প্রধান হলেন ষাটোর্ধ রবিউল হক। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রবিউল হকের ছেলে আবুল কালাম আজাদ ওরফে লিটন, জোবায়ের হোসেন, স্ত্রী রোকেয়া বেগম, আবদুল কাদেরের ছেলে রিকি ও রিংকু। একের পর এক অপকর্মের পরও কাদের শেল্টারে তারা বেপরোয়া, সেই প্রশ্ন এলাকাবাসীর।

    সর্বশেষ গত ১৩ জুন (শনিবার) সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন বারাহিপুরের আবু মেস্তরি বাড়ির ছোলেমানের ছেলে জিয়া উদ্দিন বাবলু। ফেনী মডেল থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ (নং ১১৩৯, তারিখ ১৩-০৬-২০২০খ্রি.) সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাসীরা এর আগে ভিকটিম বাবলুকে কয়েক দফা মারধর করেছে। এসব নিয়ে থানায় অভিযোগ করার পরও কোনো প্রতিকার মিলেনি। বরং সন্ত্রাসীরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় ঘটনার দিন (১৩ জুন) দুপুর একটার দিকে সন্ত্রাসীরা বাদীর ঘরের পাশে লাগানো দুইটি গাছ কেটে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এতে বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা বাদীর ওপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এছাড়া বাদীর কাছে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা ও ত্রিশ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে যাবার আগে এ মর্মে হুমকি দেয় যে, কোথাও অভিযোগ করলে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে জেলের ভাত খাওয়ানো ছাড়াও জীবনে মেরে ফেলা হবে।

    প্রসঙ্গত, একই সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাতসহ অনেক অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে আবুল কালাম লিটন স্থানীয় মোকছদিয়া জামে মসজিদের নাম করে বিভিন্ন লোকজন থেকে টাকা আদায় করে তা মসজিদ ফান্ডে জমা দিত না। অথচ আবুল কালাম লিটন মসজিদ কমিটির কেউ নন। মসজিদের টাকা চাওয়ার কারণে সে স্থানীয় রকিবুল হাসান ও সাক্ষীদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় গত ১১ মে ফেনী মডেল থানায় অভিযোগ (অভিযোগ নং-৮৭৯) দায়ের হয়েছে। এর আগেরদিন রাতে (১০ মে) একই সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ (অভিযোগ নং-৮৭৬) দায়ের করেন আয়েশা আক্তার পারুল। এতে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময় তুচ্ছ ঘটনায় সন্ত্রাসীরা আয়েশা আক্তারের ছেলেদের মারধর করে। এ নিয়ে একাধিক সালিশ হলেও কোন প্রতিকার মিলেনি। বরং এর জের ধরে ১০ মে রাত ৮টার দিকে একই সন্ত্রাসী চক্র আয়েশা আক্তারের স্বামী নূরুল হককে মারধর করে মারাত্মক জখম করে।

    জানতে চাইলে ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

    ফেনী ট্রিবিউন/এএএম/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090