আজ

  • শুক্রবার
  • ১৬ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ছাগলনাইয়ার রৌশন ফকির (রহ.) দরগাহ এলাকায় ফুলছরি খালে ভাঙ্গন

  • এবিএম নিজাম উদ্দিন
  • ছাগলনাইয়া পৌরসভা ও মহামায়া ইউনিয়নের সংযোগস্থল ছাগলনাইয়া-পরশুরাম তথা ক্যাপ্টেন লিংক সড়কের রৌশন ফকির মাজার এলাকায় ফুলছরি খালের তীব্র ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে ধর্মীয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাজার, দোকানপাট, কবরস্থান, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ী ঢলে ফুলছরি খালের করাল টানে দু’কুলের উত্তর যশপুর সড়ক ও নতুন পাড়া সড়ক দু’টির অধিকাংশই খালে বিলীন হয়ে যায়।

    পাহাড়ি পানির চাপে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়। হুমকির মুখে পড়ে ছাগলনাইয়া-পরশুরাম উপজেলার আঞ্চলিক সড়ক, রৌশন ফকির (রহঃ) দরগাহ মাদ্রাসা, রৌশন ফকির (রহঃ) দরগাহ জামে মসজিদ, রৌশন ফকির (রহঃ) দরগাহ ঈদগাহ মাঠ, রৌশন ফকির (রহঃ) দরগাহ মাদ্রাসা মাঠ, রৌশন ফকির (রহঃ) দরগাহ মাদ্রাসার হোস্টেলসহ অসংখ্যা ঘর বাড়ী ও দোকানপাট।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, রৌশন ফকির দরগাহ এলাকায় নির্মিত ব্রিজের ডিজাইন ও নির্মান পরিকল্পনায় ভুল হওয়ায় পানির গতিপথে বাঁধা সৃষ্টি হওয়ায় এ ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই সড়ক ও স্থাপনা খাল গর্ভে হারিয়ে যাবে।

    মহামায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গরিবশাহ হোসেন বাদশা চৌধুরী জানান, এটি অত্যান্ত জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ রাস্তা দিয়ে উত্তর যশপুর, জয়নগর ও সত্যনগরসহ ৩ গ্রামের ছাগলনাইয়া সংযোগ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার লোক প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে। ভাঙ্গন রোধকল্পে ও স্থাপনা রক্ষার্থে এলজিইডি, পানি উন্নয়ণ বোর্ড, সড়ক ও জনপদ একসাথে কাজ করে দু’পাশে প্রায় ২ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাঙ্গনরোধ কল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রকৌশলী নজিবুর রহমান জানান, সরেজমিনে গিয়ে ভাঙ্গন রোধে একটি প্রকল্প তৈরী করা হয়েছে। যা আগামী সপ্তাহে এলজিইডি ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো হবে। নির্বাহী প্রকৌশলী এটি অনুমোদনের জন্য এলজিইডির হেডকোয়াটারে পাঠাবেন।

    ফেনী ট্রিবিউন/এটি/এএএম


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090