আজ

  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

কালিদহে বাড়ির ছাদ থেকে মাদ্রাসাছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

  • নিজস্ব প্রতিনিধি
  • ফেনীতে বাড়ির ছাদ থেকে মাদ্রাসাপড়ুয়া এক ছাত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

    নিহত ওই ছাত্রীর নাম মোসাম্মাৎ তানিশা ইসলাম (১১)। সে ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের মাইজবাড়ীয়া গ্রামের সৌদিপ্রবাসী শহীদুল ইসলামের মেয়ে ও ফেনীর একটি মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীর জ্যাঠাতো ভাইকে (১৭) আটক করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, মাইজবাড়ীয়া গ্রামে সৌদিপ্রবাসী শহীদুল ইসলামের স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে ও বৃদ্ধ মা বাড়িতে থাকেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে শহীদুলের স্ত্রী পাশের বাড়িতে যান। ছেলে তারাবিহর নামাজ পড়তে মসজিদে যায়। একতলা বাড়িতে ছিল শুধু তানিশা ও তার বৃদ্ধ দাদি। রাত ১০টার দিকে শহীদুলের স্ত্রী, বড় মেয়ে ও ছেলে বাড়ি ফিরে ছোট মেয়েকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে তানিশার রক্তাক্ত গলাকাটা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন ছুটে যান।

    খবর পেয়ে ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আতোয়ার রহমান, ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    পুলিশ ওই বাড়ির সিঁড়িতে নিহত শিশুশিক্ষার্থীর জ্যাঠাতো ভাইয়েই (১৭) স্যান্ডেল দেখতে পায়। তাতেই পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপর তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছোরাও উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার কারণ তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

    ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর হায়দার বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    ফেনী ট্রিবিউন/এএএম/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090