আজ

  • সোমবার
  • ২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ফেনীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলমের জেরা শেষ হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট (মঙ্গলবার) থেকে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করছেন। তিনি আদালতে ৪ দিন সাক্ষ্য উপস্থাপন করার পর আসামী পক্ষের আইনজীবীরা তাকে ৭ দিন জেরা করেছেন। তিনি এই মামলার সর্বশেষ ৯২ নম্বর সাক্ষি ও পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ের ফেনী শাখার পরিদর্শক। আসামী পক্ষের আইজনীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর দুই সাক্ষিকে পুনরায় জেরা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। তারা হচ্ছে নাসরিন সুলতানা ফুর্তি ও নিশাত সুলতানা। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশীদের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের আজ ৪৫ তম কার্যদিবস।

    মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী শাহ জাহান সাজু বলেন, শাহ আলমের জেরা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে। এই মাসের শেষের দিকে মামলার রায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর আগে গত ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। নুসরাতের মা শিরিন আখতার ও বাবা মাওলানা একেএম মুসা ও নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হানসহ ৯১ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে।

    চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত জাহান রাফি। এ মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে গত ২৯ মে ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলম।

    সম্পাদনা : এএএম/এপি/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090