আজ

  • শনিবার
  • ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সোনাগাজীতে সোনালী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • সোনাগাজী প্রতিনিধি
  • সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার ক্যাশে কর্মরত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক নারী গ্রহণের ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা হলো বরুণ কুমার ও মনিরুল ইসলাম। ক্ষতিগ্রস্থ নারী গ্রাহক রৌশন আরা বেগম বাদি হয়ে মঙ্গলবার দুদক চেয়ারম্যান, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে দুই কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, রৌশন আরা বেগম সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার একজন নিয়মিত গ্রাহক। তিনি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিবার কল্যাণ সহকারি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এরপর তার মাসিক পেনশন, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাবদ উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকার অ্যাডভাইসে গ্রহণ করেন। একই অ্যাডভাইসে আরও দুইজন নারী নমিতা রানী রায় ও লক্ষী রানী বসাকেরসহ তিনজনের মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৯২৪ টাকার হিসেব ছিল। ওই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি (রৌশন আরা বেগম) ব্যাংকে গিয়ে যাবতীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার ক্যাশ শাখার কর্মকর্তা বরুণ কুমারের নিকট টাকা উত্তোলনের জন্য কাগজপত্র জমা দেন। বরুণ কুমার টাকা দিতে একটু দেরি হবে বলে তাঁদেরকে অপেক্ষা করতে বলেন। এর মধ্যে ওই নারী রৌশন আরা বেগম) হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বরুন কুমারকে তাঁর সোনালী ব্যাংক হিসাব নং- ৪০১৭১০০১৪১০৭৫-তে টাকাগুলো জমা দেয়ার জন্য বলে একটি সাদা কাগজে তাঁর হিসাব নাম্বারটি লিখে দিয়ে বাসায় চলে যান। পরবর্তীতে তিনি আর খোঁজ নেননি।

    রৌশন আরা বেগম বলেন, গত ২২ জানুয়ারি তিনি ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে জানতে পারেন একাউন্টে ৫৮ হাজার ৮৩৬ টাকা জমা হয়নি। তাৎক্ষণিক তিনি বিষয়টি শাখার ব্যবস্থাপক ফরহাদ উদ্দিনকে অবহিত করেন। তিনি কর্মকর্তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি সমধান করবেন বলে তাকে আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে তাঁর ছেলে শাহ আজিজুর রহমানকে নিয়ে সোমবার ৩ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকে গেলে তিনি (ব্যবস্থাপক) বিষয়টি সমাধান করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। ওই নারী দাবি করেন, ব্যাংকের ক্যাশ শাখার কর্মকর্তা বরুণ কুমার ও মনিরুল ইসলাম পরস্পর যোগসাজসে তার ৫৮ হাজার ৮শ ৩৬ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাত করেছে।

    এসব ব্যাপারে ব্যাংকের ওই দুই কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সত্য নয় বলে কোন কিছু বলতে রাজি হননি।

    সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার ব্যবস্থাপক ফরহাদ উদ্দিন জানান, তিনি যোগদানের পূর্বে ঘটনাটি ঘটেছিল। তারপরও তিনি বিষয়টি জানার পর ওই দুই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তারা টাকা আত্মসাত করেননি বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি তিনি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকেও জানাবেন।

    ফেনী ট্রিবিউন/এএএম/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090