আজ

  • সোমবার
  • ২৩শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সেনবাগের নবীপুরে ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদদাতা
  • নোয়াখালীর সেনবাগের নবীপুরে ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থক সামছুদ্দিন সমীর (৩০) কে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৩১ জানুয়ারি সোমবার রাতে উপজেলা নবীপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাটের রফিকের চা দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সমীর বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও থানায় লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, নবীপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (চশমা) বেলায়েত হোসেন সোহেল নির্বাচিত হওয়ায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেরার পথে সামছুদ্দিন সমীরসহ তার ৩ বন্ধু মিলে শান্তির হাটের রফিক স্টোরে চা খেতে প্রবেশ করা মাত্র। নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থীর সমর্থক মনিরুল ইসলাম (৩৮) এর নেতৃত্বে হুমায়ুন কবির (৫০), আমিরুল ইসলাম বাবলু (৩৪), মিজানুর রহমান (৫২) জহিরুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম (৪৫), মফিজুর রহমান (৫০), নিজাম উদ্দিন (৩২) পারভেজ (২২), জুয়েল (২৩), সহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জন তাদের উপর লাঠি ও রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উপর্যপুরি হামলা চালায়। এসময় দুর্বৃত্তরা বেধড়ক পিটিয়ে সমীরের মাথায় ও পায়ে গুরুত্বর আহত করে। এতে তার বাম হাত ভেঙ্গে যায়। এসময় তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ৩৫ হাজার টাকা, মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়, তার প্রাইভেট কার ভাংচুর চালায়। চিৎকার শুনে একপর্যায়ে স্থানীয়রা সমীরকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী রফিক স্টোরের মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, সামছুদ্দিন সমীর সহ তার তিন বন্ধু চা দোকানে প্রবেশ করা মাত্র তার উপর বর্বর হামলা চালানো হয়। হামলাকারী সকলে একই এলাকার বলে তিনি জানান।

    আহত সমীরের বড় ভাই নিজাম উদ্দিন বলেন, হামলাকারী মনিরুল ইসলাম সহ অজ্ঞাত বেশ কজনের নামে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু পুলিশ মৌখিক অভিযোগ নিয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবে বলে আশ্বাস দেয়। তিনি তার ভাইর উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

    নবীপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, ঘটনায় জড়িতরা সকলে চিহ্নিত দূবৃত্ত। তিনি তদন্ত পূর্বক দোষীদের শাস্তি কামনা করেন।

    ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলামের মুঠোফোনে বারবার কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ ব্যাপারে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল হোসেন ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ফেনী ট্রিবিউন/এএএম/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090