আজ

  • শনিবার
  • ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১১ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দাগনভূঞার প্রত্যন্ত গ্রামের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • করোনাভাইরাস (কোভিট-১৯) এর বিস্তাররোধে ফেনীতে চলছে অঘোষিত লকডাউন। লোক সমাগম না থাকায় অনেক খেটে খাওয়া মানুষ হয়ে পড়েছেন বেকার। অনেকের ঘরেই দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। কর্মহীন এসব পরিবারের মাঝে গ্রামে গ্রামে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন। প্রতিদিন সকালে থেকে দিনমান তিনি কর্মহীন মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেনীর ৬টি উপজেলার মধ্যে দাগনভূঞা সবচেয়ে বেশি জনবহুল উপজেলা। এখানে প্রায় ৪ লাখ লোকের বসবাস। বেশিরভাগ মানুষ খেটে খাওয়া। তারা প্রাত্যহিক নানা কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের আতঙ্কে এসব শ্রমজীবী মানুষগুলো গৃহবন্দির মতো। ফলে জুটছে না রুটি-রুজির সংস্থান। এতে তারা অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন। তাদের নিত্য খাদ্যদ্রব্যের এই সংকট গুচাতে মাঠে নেমেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা। খুঁজে খুঁজে প্রকৃত অসহায়দের খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন তারা। প্রত্যন্ত গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর, ভাসমান হকার, রিকশাচালকদের মাঝে এসব সামগ্রী তারা বিতরণ করছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল হাসান, পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ রায়হান, প্রভাষক ও ডেইলী সান করসপনডেন্ট আবদুল্লাহ আল-মামুন, ইউপি সদস্য আইয়ুব আলী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উল্যাহ, গজারিয়া বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি আলী হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ও বিকিরণ কিন্ডারগার্টেনের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন।

    পূর্ব চন্দ্রপর মডেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদদৌলা বলেন, সংকট উত্তরণে কর্মহীন এসব মানুষদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

    পূর্ব চন্দ্রপর মডেল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বলেন, মানুষকে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি কর্মহীন এসব পরিবারের মাঝে গ্রামে গ্রামে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিতে আমরা সহযোগীতা করে যাবো।

    পূর্ব চন্দ্রপর মডেল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাসুদ রায়হান বলেন, যতদিন করোনা ভাইরাস সংক্রমনের আশংঙ্কা থাকে ততদিন কর্মহীন মানুষদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হবে ইনশাল্লাহ। তিনি সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এ কাজে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।

    দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল হাসান বলেন, উপজেলায় জন্য পেয়েছি ১৮ টন চাল ও ১ লাখ টাকা। বরাদ্দগুলো ৮টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান- মেম্বারদের মাধ্যমে কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের মাঝে পৌছে দেয়া হচ্ছে। বরাদ্দ আরো দরকার, দ্বিতীয় ধাপে আরো বরাদ্ধ আসলে সেগুলো যথাযথভাবে পৌঁছে দেয়া হবে।

    দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন বলেন, যতদিন এই পরিস্থিতি থাকবে ততদিন কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের মাঝে গ্রামে গ্রামে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হবে। সচেতনতার পাশাপাশি আমরা এই কার্যক্রম অব্যহত রাখবো।

    ফেনী ট্রিবিউন/এএএম/এটি


    error: Content is protected !! please contact me 01718066090